বর্ণপ্রথা

ড. আকবর আলী খান ।। সনাতন হিন্দুধর্ম চার বর্ণভিত্তিক আদর্শের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। এই চার বর্ণের মধ্যে সবার ঊর্ধ্বে ছিল ব্রাহ্মণরা, তারপর ছিল ক্ষত্রিয়রা। ক্ষত্রিয়দের নিচের অবস্থানে ছিল বৈশ্যরা। অনেকের মতে সর্বনিম্ন অবস্থানে ছিল শূদ্ররা। উচ্চবর্ণের হিন্দুরা সব সময়ই নিম্নবর্ণের হিন্দুদের অত্যাচার করেছে। শূদ্র ও দলিতরা এ ধরনেরবিস্তারিত

এবনে গোলাম সামাদ ।। হিন্দু জনসমাজ বর্ণাশ্রম ব্যবস্থার ওপর প্রতিষ্ঠিত। ‘বর্ণ’ কথাটার অর্থ হলো ‘রং’। হিন্দুধর্মে বলা হয়, মানুষ হলো চার রঙের। এরা হলো, ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয়, বৈশ্য এবং শূদ্র। ব্রাহ্মণদের গায়ের রং হলো ফর্সা, ক্ষত্রিয়দের গায়ের রং হলো রক্তাভ, বৈশ্যদের গায়ের রং হলো হরিদ্রাভ আর শূদ্ররা হলো কৃষ্ণকায়। এ কথাবিস্তারিত

কাজী নজরুল ইসলাম ।। জাতের নামে বজ্জাতি সব জাত-জালিয়াৎ খেলছ জুয়া!ছুঁলেই তোর জাত যাবে? জাত ছেলের হাতের নয়তো মোয়া। হুঁকোর জল আর ভাতের হাঁড়ি – ভাব্‌লি এতেই জাতির জান,তাইত বেকুব, করলি তোরা এক জাতিকে একশ’-খান।এখন দেখিস ভারত-জোড়াপ’চে আছিস বাসি মড়া,মানুষ নাই আজ, আছে শুধু জাত-শেয়ালের হুক্কাহুয়া।জাতের নামে বজ্জাতি সব জাত-জালিয়াৎবিস্তারিত

সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নাদভী ।। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ও জনপদে শ্রেণীভেদ ও বর্ণপ্রথা অবশ্যই ছিলো, কিন্তু ভারতবর্ষের মত আর কোথাও এমন কঠোর, নিষ্ঠুর বর্ণপ্রথা ও শ্রেণীভেদ ছিলো না। বস্তুত এটা ছিলো মানবতার প্রতি চরম অবমাননা, যা ভারতবর্ষে শুধু সামাজিকভাবেই নয়, ধর্মীয়ভাবেও স্বীকৃত ছিলো, যা হাজার হাজার বছর ধরে চলেবিস্তারিত