কবিতা

রিতু কুন্ডু, প্রত্যাবর্তিত মুসলিম ।। এক আল্লাহয় বিশ্বাসী হতে ভালো লাগে,আল্লাহর রহমত পেতে ভালো লাগে,যেকোন অবস্থায়, যেকোন প্রয়োজন যাকে বলা যায়,সকল ভুলের মাফ পাওয়া যায়,সংখ্যার একাধিক্যে সংশয়বাদ নয়,প্রশান্ত একত্ববাদ তাই ভালো লাগে। পাঁচ ওয়াক্ত নামায, সকাল থেকে সন্ধ্যারাত অব্দিসুনিপুণ গোছানো নিয়মানুবর্তিতায় ভালো লাগে।অলস আমার হালকা ব্যায়াম, সাথেমেডিটেশনের আনন্দও ভালো লাগে।রোযাবিস্তারিত

তাঁর ওপর আল্লাহর ঝরুক সালাম কামাল আতাউর রহমান ।। আমি তাঁকে দেখেছি হেরা গিরি গুহায়আমি তাঁকে দেখেছি রাত্রির বুক চিরেকারো কণ্ঠস্বর শুনতে তিনি দারুণ আগ্রহীআমি তাঁকে দেখেছি সওর পর্বতের গুহায়আমি তাঁকে দেখেছি লোহিত সাগরের তীর ঘেঁষেমদিনার দিকে যেতে – সে এক দুঃসহ যাত্রা। তাঁর বিশ্বাস ছিল দৃঢ়শত অত্যাচার আর প্রলোভনবিস্তারিত

আবদুল মুকীত চৌধুরী ।। সকল শ্রদ্ধার শীর্ষে যে নামের প্রদীপ্ত মহিমাবিনম্র আমার অশ্রু খুঁজে পায় যেখানে আশ্রয়অবক্ষয় ছিন্ন করে ভেঙে ক্ষুদ্রতার পরিসীমাআত্মার মিনার জুড়ে তোমার আযান ধ্বনিময়। বসার যোগ্যতা নেই আমাদের তোমার মাহফিলেতবু নিত্যদিন আসি, সলজ্জ আসন করে নেইজানি এ খোশবু থেকে এক কণা এ উম্মতে দিলেআমাদের লাঞ্ছনার অবসান সূচনাবিস্তারিত

সৈয়দ মূসা রেজা ।। স্বর্ণ-শিখর হয়ে ওঠে যদি দুনিয়ার পর্বতসাগরের পানি যদি হয়ে যায় উজ্জ্বল মরকত হীরে-জহরতে ভরে ওঠে যদি পৃথিবীর নদী-হ্রদচুনি-পান্নার ঢলে ভেসে যায় রাজপথ, জনপদমুক্তো খচিত বসন-ভূষণ রাখো যদি রাশি রাশিমুহাম্মদের জীর্ণ পাদুকা যদি রাখো পাশাপাশি কোনটা আমার সবচেয়ে প্রিয় তুমি কি জানতে চাওবার বার আমি বলবো তোমাকে-বিস্তারিত

কাজী নজরুল ইসলাম ।। শুরু করিলাম লয়ে নাম আল্লারকরুণা ও দয়া যাঁর অশেষ অপার। সকলি বিশ্বের স্বামী আল্লার মহিমাকরুণা কৃপার যাঁর নাই নাই সীমা। বিচার দিনের খোদা! কেবল তোমারিআরাধনা করি আর শক্তি ভিক্ষা করি। সরল সহজ পথে মোদেরে চালাওযাদেরে বিলাও দয়া সে পথ দেখাও। যারা অভিশপ্ত পথভ্রষ্ট এ জগতেচালায়ো নাবিস্তারিত

কাজী নজরুল ইসলাম ।। জাতের নামে বজ্জাতি সব জাত-জালিয়াৎ খেলছ জুয়া!ছুঁলেই তোর জাত যাবে? জাত ছেলের হাতের নয়তো মোয়া। হুঁকোর জল আর ভাতের হাঁড়ি – ভাব্‌লি এতেই জাতির জান,তাইত বেকুব, করলি তোরা এক জাতিকে একশ’-খান।এখন দেখিস ভারত-জোড়াপ’চে আছিস বাসি মড়া,মানুষ নাই আজ, আছে শুধু জাত-শেয়ালের হুক্কাহুয়া।জাতের নামে বজ্জাতি সব জাত-জালিয়াৎবিস্তারিত

ফররুখ আহমদ ।। নদী নাই, নালা নাই, না মেলে নহরআরব মুলুকে ভাই মক্কা শহর;চার দিকে ধূধূ বালু, নাই গাছপালা,পানি পানি করে শুধু বেড়ে যায় জ্বালা;খা-খা করে রোদ্দুর সারা দিনমান,আগুনের তাপ লেগে যায় যেন জান;সবুজের ছোপ নাই কোনখানে, আরমাঝে মাঝে দেখা যায় মস্ত পাহাড়! পাহাড়ের চেয়ে আরো কঠোর, কঠিনলোকগুলো সে দেশেরবিস্তারিত

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ।। [ মানব-সৃষ্টির সূচনায় পৃথিবী ছিল শত-শতাংশ মানবিক পৃথিবী। মানুষের আদি পিতা-মাতা আদম-হাওয়া (আলাইহিমুস সালাম) যেমন নিজেরা পারস্পরিক সুন্দর শান্তিময় জীবন যাপন করেছেন, তেমনি আল্লাহ্‌র হুকুমে সন্তানদেরকেও শান্তিময় জীবনের শিক্ষা প্রদান করেছেন। কিন্তু তাঁদেরই এক সন্তান কাবিল কুফরি করে ভ্রাতৃ-হত্যা দিয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের সূত্রপাত ঘটায়। হিন্দুধর্ম ইসলামের মতোবিস্তারিত

কাজী নজরুল ইসলাম ।। যাত্রীরা রাত্তিরে হতে এল খেয়া পার,বজ্রেরি তূর্যে এ গর্জেছে কে আবার?প্রলয়েরি আহ্বান ধ্বনিল কে বিষাণে!ঝন্‌ঝা ও ঘন দেয়া স্বনিল রে ঈশানে! নাচে পাপ-সিন্ধুতে তুঙ্গ তরঙ্গ!মৃত্যুর মহানিশা রুদ্র উলঙ্গ!নিঃশেষে নিশাচর গ্রাসে মহাবিশ্বে,ত্রাসে কাঁপে তরণীর পাপী যত নিঃস্বে। তমসাবৃতা ঘোরা ‘কিয়ামত’ রাত্রি,খেয়া-পারে আশা নাই ডুবিল রে যাত্রী!দমকি দমকিবিস্তারিত