হিন্দুধর্মের পরিচয়

স্বামী দয়ানন্দ সরস্বতী ।। প্রশ্ন: মূর্তিপূজা কোত্থেকে এলো? উত্তর: মূর্তিপূজা বৈদিক হিন্দুধর্মবহির্ভূত চর্চা। স্বার্থান্বেষী মহল এটি জৈনদের কাছ থেকে এনে সংযোজন করেছে। প্রশ্ন: জৈনরা মূর্তিপূজার ধারণা কিভাবে পেয়েছে? উত্তর: নিজেদের মূর্খতা থেকে। প্রশ্ন: জৈনরা বলে- শান্ত, ধ্যানমগ্ন, উপবিষ্ট মূর্তি দর্শন করা হলে নিজের আত্মার শুভ পরিণাম সেরূপই হয়ে থাকে। উত্তর:বিস্তারিত

মুহসিনুদ্দীন মাহমূদ ।। নিজেকে কোনো বাস্তব বা কল্পিত ঊর্ধতন সত্ত্বার মুখাপেক্ষী জেনে পূজা-উপাসনা করার উদ্দেশ্যে তাঁর অবয়ব, ভাস্কর্য বা মূর্তি তৈরি করা কোনো কোনো ধর্মের বৈশিষ্ট্য। বর্তমান বিশ্বে প্রচলিত প্রধান প্রধান ধর্মগুলোর মধ্যে হিন্দুধর্ম অন্যতম। যদিও বাস্তব অনুসন্ধানে নিয়োজিত হলে দেখা যায়, হিন্দুধর্মের অনুসারী বলে পরিচিত মানুষের মধ্যে একেবারে ভিন্নবিস্তারিত

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ।। ধর্মশাস্ত্র কাহাকে বলে, যাজ্ঞবল্ক্যসংহিতায় তাহার নিরূপণ আছে। যথা, মন্বত্রিবিষ্ণুহারীতযাজ্ঞবল্ক্যোশনোহঙ্গিরাঃ ।যমাপস্তম্বসংবর্ত্তাঃ কাত্যায়নবৃহস্পতী ।। ১ । ৪ ।।পরাশরব্যাসশঙ্খলিখিতা দক্ষগোতমৌ ।শাতাতপো বশিষ্ঠশ্চ ধর্ম্মশাস্ত্রপ্রযোজকাঃ ।। ১ । ৫ ।। মনু, অত্রি, বিষ্ণু, হারীত, যাজ্ঞবল্ক্য, উশনাঃ, অঙ্গিরাঃ, যম, আপস্তম্ব, সংবর্ত্ত, কাত্যায়ন, বৃহস্পতি, পরাশর, ব্যাস, শঙ্খ, লিখিত, দক্ষ, গোতম, শাতাতপ, বশিষ্ঠ – ইঁহারাবিস্তারিত

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ।। কলিকাতার অন্ত:পাতী পটলডাঙ্গানিবাসী শ্রীযুত (শ্রীযুক্ত) বাবু শ্যামাচরণ দাস নিজ তনয়ার বৈধব্য দর্শনে দুঃখিত হইয়া মনে মনে সঙ্কল্প করেন, যদি ব্রাহ্মণ পণ্ডিতেরা ব্যবস্থা দেন, পুনরায় কন্যার বিবাহ দিব। তদনুসারে তিনি সচেষ্ট হইয়া বিধবাবিবাহের শাস্ত্রীয়তাপ্রতিপাদক এক ব্যবস্থাপত্র সংগ্রহ করেন। উহাতে কাশীনাথ তর্কালঙ্কার, শ্রীযুত ভবশঙ্কর বিদ্যারত্ন, রামতনু তর্কসিদ্ধান্ত, ঠাকুরদাস চূড়ামণি,বিস্তারিত

এবনে গোলাম সামাদ ।। হিন্দু জনসমাজ বর্ণাশ্রম ব্যবস্থার ওপর প্রতিষ্ঠিত। ‘বর্ণ’ কথাটার অর্থ হলো ‘রং’। হিন্দুধর্মে বলা হয়, মানুষ হলো চার রঙের। এরা হলো, ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয়, বৈশ্য এবং শূদ্র। ব্রাহ্মণদের গায়ের রং হলো ফর্সা, ক্ষত্রিয়দের গায়ের রং হলো রক্তাভ, বৈশ্যদের গায়ের রং হলো হরিদ্রাভ আর শূদ্ররা হলো কৃষ্ণকায়। এ কথাবিস্তারিত

কাজী নজরুল ইসলাম ।। জাতের নামে বজ্জাতি সব জাত-জালিয়াৎ খেলছ জুয়া!ছুঁলেই তোর জাত যাবে? জাত ছেলের হাতের নয়তো মোয়া। হুঁকোর জল আর ভাতের হাঁড়ি – ভাব্‌লি এতেই জাতির জান,তাইত বেকুব, করলি তোরা এক জাতিকে একশ’-খান।এখন দেখিস ভারত-জোড়াপ’চে আছিস বাসি মড়া,মানুষ নাই আজ, আছে শুধু জাত-শেয়ালের হুক্কাহুয়া।জাতের নামে বজ্জাতি সব জাত-জালিয়াৎবিস্তারিত

সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নাদভী ।। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ও জনপদে শ্রেণীভেদ ও বর্ণপ্রথা অবশ্যই ছিলো, কিন্তু ভারতবর্ষের মত আর কোথাও এমন কঠোর, নিষ্ঠুর বর্ণপ্রথা ও শ্রেণীভেদ ছিলো না। বস্তুত এটা ছিলো মানবতার প্রতি চরম অবমাননা, যা ভারতবর্ষে শুধু সামাজিকভাবেই নয়, ধর্মীয়ভাবেও স্বীকৃত ছিলো, যা হাজার হাজার বছর ধরে চলেবিস্তারিত

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ।। [ মানব-সৃষ্টির সূচনায় পৃথিবী ছিল শত-শতাংশ মানবিক পৃথিবী। মানুষের আদি পিতা-মাতা আদম-হাওয়া (আলাইহিমুস সালাম) যেমন নিজেরা পারস্পরিক সুন্দর শান্তিময় জীবন যাপন করেছেন, তেমনি আল্লাহ্‌র হুকুমে সন্তানদেরকেও শান্তিময় জীবনের শিক্ষা প্রদান করেছেন। কিন্তু তাঁদেরই এক সন্তান কাবিল কুফরি করে ভ্রাতৃ-হত্যা দিয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের সূত্রপাত ঘটায়। হিন্দুধর্ম ইসলামের মতোবিস্তারিত

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ।। রথযাত্রা, লোকারণ্য, মহা ধুমধাম,ভক্তেরা লুটায়ে পথে করিছে প্রণাম। পথ ভাবে ‘আমি দেব’, রথ ভাবে ‘আমি’,মূর্তি ভাবে ‘আমি দেব’—হাসে অন্তর্যামী।বিস্তারিত