ইসলাম

মাওলানা মুহাম্মাদ কালীম সিদ্দিকী ।। পৃথিবীতে আসার পর একজন মানুষের জন্য যে সত্যকে জানা ও মানা জরুরি এবং যা তার সবচে বড় দায়িত্ব, ভালোবাসাপূর্ণ সে কথাই আমি আপনাকে শোনাতে চাই। জগতের সবচে বড় সত্য জগতের সবচে বড় সত্য হলো – এর একজন মালিক আছেন। তিনি সবকিছুর স্রষ্টা। পরিচালক ও নিয়ন্ত্রক।বিস্তারিত

মুহম্মদ নূরুল হুদা ।। কুসংস্কার আর কুসংস্কার।আরবের সর্বত্র তখন শুধু কুসংস্কারের রাজত্ব।পবিত্র কাবাগৃহে শোভা পাচ্ছে ৩৬০টি মূর্তি।মানুষ আল্লাহর কথা ভুলে মূর্তিপূজায় লিপ্ত। সামান্য কারণেই দাউ দাউ জ্বলে উঠছে যুদ্ধের বিভীষিকা।মানুষের হৃদয় থেকে যেন লোপ পেয়ে গেছে দয়ামায়া।মানুষের মধ্যকার মানবিক বন্ধন যেন ছিন্ন হয়ে গেছে। সে-সময়ে আরবে নানা ধরনের মেলা বসতো।বিস্তারিত

কাজী নজরুল ইসলাম ।। শুরু করিলাম লয়ে নাম আল্লারকরুণা ও দয়া যাঁর অশেষ অপার। সকলি বিশ্বের স্বামী আল্লার মহিমাকরুণা কৃপার যাঁর নাই নাই সীমা। বিচার দিনের খোদা! কেবল তোমারিআরাধনা করি আর শক্তি ভিক্ষা করি। সরল সহজ পথে মোদেরে চালাওযাদেরে বিলাও দয়া সে পথ দেখাও। যারা অভিশপ্ত পথভ্রষ্ট এ জগতেচালায়ো নাবিস্তারিত

রচনা : সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নাদভী, অনুবাদ : মাওলানা আবু তাহের মিসবাহ,প্রকাশনা : দারুল কলম, প্রচ্ছদ : বশির মিসবাহ,পৃষ্ঠা সংখ্যা : ৫৫২, নির্ধারিত মূল্য : ২৫০ টাকা মূল্যবান এই গ্রন্থই, ‘ ماذا خسر العالم بانحطاط المسلمين ؟’ (মা যা খাসিরা আল-আলামু বি ইনহিতাত আল-মুসলিমীন) নাম নিয়ে, বিশ্ববিশ্রুত প্রাজ্ঞ আলেম ও সুলেখক সাইয়েদ আবুল হাসান আলীবিস্তারিত

ড. আকবর আলী খান ।। সনাতন হিন্দুধর্ম চার বর্ণভিত্তিক আদর্শের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। এই চার বর্ণের মধ্যে সবার ঊর্ধ্বে ছিল ব্রাহ্মণরা, তারপর ছিল ক্ষত্রিয়রা। ক্ষত্রিয়দের নিচের অবস্থানে ছিল বৈশ্যরা। অনেকের মতে সর্বনিম্ন অবস্থানে ছিল শূদ্ররা। উচ্চবর্ণের হিন্দুরা সব সময়ই নিম্নবর্ণের হিন্দুদের অত্যাচার করেছে। শূদ্র ও দলিতরা এ ধরনেরবিস্তারিত

ফররুখ আহমদ ।। নদী নাই, নালা নাই, না মেলে নহরআরব মুলুকে ভাই মক্কা শহর;চার দিকে ধূধূ বালু, নাই গাছপালা,পানি পানি করে শুধু বেড়ে যায় জ্বালা;খা-খা করে রোদ্দুর সারা দিনমান,আগুনের তাপ লেগে যায় যেন জান;সবুজের ছোপ নাই কোনখানে, আরমাঝে মাঝে দেখা যায় মস্ত পাহাড়! পাহাড়ের চেয়ে আরো কঠোর, কঠিনলোকগুলো সে দেশেরবিস্তারিত

আরিফুর রহমান ।। ‘মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)’ ‘মুহাম্মাদ কেবল একজন রাসূল। তার পূর্বে নিশ্চয় অনেক রাসূল বিগত হয়েছে।’ আল-কুরআনসূরা আলে-ইমরান, আয়াত : ১৪৪ ‘মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)’ ‘যারা তার প্রতি ঈমান আনে, তাকে সম্মান করে, তাকে সাহায্য করে এবং তার সাথে যে নূর নাযিল করা হয়েছে তা অনুসরণবিস্তারিত

মনিরউদ্দীন ইউসুফ ।। মনে রাখতে হবে যে, আমাদের সংস্কৃতির উৎস রাসূলুল্লাহ্‌র (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কর্মময় জীবন ও কুরআনের নির্দেশ। জীবন থেকে যা দূরে নিয়ে যায়, কর্ম থেকে যা বিরত রাখে তা মুসলমানের সংস্কৃতি-চর্চার বহির্ভূত ব্যাপার। মুসলমানের সংস্কৃতি-চর্চায় থাকবে বিষয়বস্তুর এমন রূপায়ণ যা কর্মময় ও সদর্থক জীবনকে স্বীকার করে নেয়।বিস্তারিত

মাওলানা মুহাম্মাদ কালীম সিদ্দিকী ।। দাওয়াতের উদ্দেশ্যে মুসলমানরা পৃথিবী চষে বেড়িয়েছে। ইতিহাস সাক্ষী। একজন প্রকৃত মুসলমান যখন ব্যবসার বাহানায় সফর করেছে তো দেশের পর দেশ কোনো অস্ত্রশস্ত্র ও যুদ্ধবিগ্রহ ছাড়া জয় করে নিয়েছে। আপনি হয়তো শুনে থাকবেন চেঙ্গিস ও তাতারীদের কথা। অত্যাচারী ও জালিমশাহী, যাদের রাজ্য সীমানায় মুসলমানদের প্রবেশ নিষিদ্ধবিস্তারিত