ধর্মালোচনা

মুহম্মদ নূরুল হুদা ।। কুসংস্কার আর কুসংস্কার।আরবের সর্বত্র তখন শুধু কুসংস্কারের রাজত্ব।পবিত্র কাবাগৃহে শোভা পাচ্ছে ৩৬০টি মূর্তি।মানুষ আল্লাহর কথা ভুলে মূর্তিপূজায় লিপ্ত। সামান্য কারণেই দাউ দাউ জ্বলে উঠছে যুদ্ধের বিভীষিকা।মানুষের হৃদয় থেকে যেন লোপ পেয়ে গেছে দয়ামায়া।মানুষের মধ্যকার মানবিক বন্ধন যেন ছিন্ন হয়ে গেছে। সে-সময়ে আরবে নানা ধরনের মেলা বসতো।বিস্তারিত

কাজী নজরুল ইসলাম ।। শুরু করিলাম লয়ে নাম আল্লারকরুণা ও দয়া যাঁর অশেষ অপার। সকলি বিশ্বের স্বামী আল্লার মহিমাকরুণা কৃপার যাঁর নাই নাই সীমা। বিচার দিনের খোদা! কেবল তোমারিআরাধনা করি আর শক্তি ভিক্ষা করি। সরল সহজ পথে মোদেরে চালাওযাদেরে বিলাও দয়া সে পথ দেখাও। যারা অভিশপ্ত পথভ্রষ্ট এ জগতেচালায়ো নাবিস্তারিত

রচনা : সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নাদভী, অনুবাদ : মাওলানা আবু তাহের মিসবাহ,প্রকাশনা : দারুল কলম, প্রচ্ছদ : বশির মিসবাহ,পৃষ্ঠা সংখ্যা : ৫৫২, নির্ধারিত মূল্য : ২৫০ টাকা মূল্যবান এই গ্রন্থই, ‘ ماذا خسر العالم بانحطاط المسلمين ؟’ (মা যা খাসিরা আল-আলামু বি ইনহিতাত আল-মুসলিমীন) নাম নিয়ে, বিশ্ববিশ্রুত প্রাজ্ঞ আলেম ও সুলেখক সাইয়েদ আবুল হাসান আলীবিস্তারিত

ড. আকবর আলী খান ।। সনাতন হিন্দুধর্ম চার বর্ণভিত্তিক আদর্শের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। এই চার বর্ণের মধ্যে সবার ঊর্ধ্বে ছিল ব্রাহ্মণরা, তারপর ছিল ক্ষত্রিয়রা। ক্ষত্রিয়দের নিচের অবস্থানে ছিল বৈশ্যরা। অনেকের মতে সর্বনিম্ন অবস্থানে ছিল শূদ্ররা। উচ্চবর্ণের হিন্দুরা সব সময়ই নিম্নবর্ণের হিন্দুদের অত্যাচার করেছে। শূদ্র ও দলিতরা এ ধরনেরবিস্তারিত

এবনে গোলাম সামাদ ।। হিন্দু জনসমাজ বর্ণাশ্রম ব্যবস্থার ওপর প্রতিষ্ঠিত। ‘বর্ণ’ কথাটার অর্থ হলো ‘রং’। হিন্দুধর্মে বলা হয়, মানুষ হলো চার রঙের। এরা হলো, ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয়, বৈশ্য এবং শূদ্র। ব্রাহ্মণদের গায়ের রং হলো ফর্সা, ক্ষত্রিয়দের গায়ের রং হলো রক্তাভ, বৈশ্যদের গায়ের রং হলো হরিদ্রাভ আর শূদ্ররা হলো কৃষ্ণকায়। এ কথাবিস্তারিত

কাজী নজরুল ইসলাম ।। জাতের নামে বজ্জাতি সব জাত-জালিয়াৎ খেলছ জুয়া!ছুঁলেই তোর জাত যাবে? জাত ছেলের হাতের নয়তো মোয়া। হুঁকোর জল আর ভাতের হাঁড়ি – ভাব্‌লি এতেই জাতির জান,তাইত বেকুব, করলি তোরা এক জাতিকে একশ’-খান।এখন দেখিস ভারত-জোড়াপ’চে আছিস বাসি মড়া,মানুষ নাই আজ, আছে শুধু জাত-শেয়ালের হুক্কাহুয়া।জাতের নামে বজ্জাতি সব জাত-জালিয়াৎবিস্তারিত

সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নাদভী ।। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ও জনপদে শ্রেণীভেদ ও বর্ণপ্রথা অবশ্যই ছিলো, কিন্তু ভারতবর্ষের মত আর কোথাও এমন কঠোর, নিষ্ঠুর বর্ণপ্রথা ও শ্রেণীভেদ ছিলো না। বস্তুত এটা ছিলো মানবতার প্রতি চরম অবমাননা, যা ভারতবর্ষে শুধু সামাজিকভাবেই নয়, ধর্মীয়ভাবেও স্বীকৃত ছিলো, যা হাজার হাজার বছর ধরে চলেবিস্তারিত

ফররুখ আহমদ ।। নদী নাই, নালা নাই, না মেলে নহরআরব মুলুকে ভাই মক্কা শহর;চার দিকে ধূধূ বালু, নাই গাছপালা,পানি পানি করে শুধু বেড়ে যায় জ্বালা;খা-খা করে রোদ্দুর সারা দিনমান,আগুনের তাপ লেগে যায় যেন জান;সবুজের ছোপ নাই কোনখানে, আরমাঝে মাঝে দেখা যায় মস্ত পাহাড়! পাহাড়ের চেয়ে আরো কঠোর, কঠিনলোকগুলো সে দেশেরবিস্তারিত

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ।। [ মানব-সৃষ্টির সূচনায় পৃথিবী ছিল শত-শতাংশ মানবিক পৃথিবী। মানুষের আদি পিতা-মাতা আদম-হাওয়া (আলাইহিমুস সালাম) যেমন নিজেরা পারস্পরিক সুন্দর শান্তিময় জীবন যাপন করেছেন, তেমনি আল্লাহ্‌র হুকুমে সন্তানদেরকেও শান্তিময় জীবনের শিক্ষা প্রদান করেছেন। কিন্তু তাঁদেরই এক সন্তান কাবিল কুফরি করে ভ্রাতৃ-হত্যা দিয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের সূত্রপাত ঘটায়। হিন্দুধর্ম ইসলামের মতোবিস্তারিত